মিশরে “সশস্ত্র মুক্তি বাহিনী” গড়ে তুলবে কাতার সরকার ও ইখওয়ান

মিশরে “সশস্ত্র মুক্তি বাহিনী” গড়ে তুলবে কাতার সরকার ও ইখওয়ান

মিশরের দৈনিক আল-ওয়াতান জানিয়েছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য মুসলিম ব্রাদারহুড বা ইখওয়ানের সহায়তা নিয়ে  একটি ‘মুক্তি বাহিনী’ গঠনে ১৫০ কোটি ডলার খরচ করবে কাতার সরকার।
‘আল-ওয়াতান আল মিসরিইয়্যাহ’ তার নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে কথিত এই বাহিনী গঠনের খবর ফাঁস করেছে।
দৈনিকটি আরো জানিয়েছে, এই পরিকল্পনার বিষয়ে কাতারের একদল গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও ইখওয়ানের আন্তর্জাতিক শাখার একদল শীর্ষস্থানীয় নেতা তুরস্কে বৈঠক করেছেন। তারা কথিত মুক্তি বাহিনীকে অর্থ সহায়তা দিতে এবং সুদান ও লিবিয়ার মধ্য দিয়ে এই বাহিনীর কাছে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়েও একমত হয়েছেন।
এই খবরের সত্যতা এখনও অন্য কোনো সূত্রে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে খবরটি যদি সত্য হয় তাহলে মিশরে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন।
দৈনিকটির আরো জানিয়েছে,  ইখওয়ানের একজন নেতা বলেছেন, মিশরের সদ্য-পদত্যাগ করা প্রতিরক্ষামন্ত্রী আবদুল ফাত্তাহ আল সিসি যদি আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী না হন তাহলে তারা সহিংসতা বন্ধ করতে প্রস্তুত রয়েছেন।
মিশরের সশস্ত্র বাহিনী কয়েক মাস আগে দেশটির গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুরসিকে পদচ্যুত করে এবং এরপর  একটি অস্থায়ী নতুন সরকার গঠন করে।
ইখওয়ান কাতার সরকারের কাছ থেকে গত প্রায় দুই বছরে আর্থিক, রাজনৈতিক ও প্রচারণাগত সহায়তা পেয়েছে। তবে মুরসির পতনের পর দোহা-কায়রোর সম্পর্কে গভীর সংকট দেখা দেয়। তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী এরদোগান মিশরের নতুন সরকারকে অবৈধ সরকার বলে উল্লেখ করায় আঙ্কারা-কায়রো সম্পর্কে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। অন্যদিকে সৌদি সরকারও মিশরের নতুন সরকারকে সর্বাত্মক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ায় রিয়াদ-আঙ্কারা সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। সৌদি আরবের সঙ্গে কাতারের সম্পর্কে ব্যাপক টানা-পড়েন রয়েছে অনেক আগ থেকেই।

মিশরের দৈনিক আল-ওয়াতান জানিয়েছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য মুসলিম ব্রাদারহুড বা ইখওয়ানের সহায়তা নিয়ে একটি ‘মুক্তি বাহিনী’ গঠনে ১৫০ কোটি ডলার খরচ করবে কাতার সরকার।
‘আল-ওয়াতান আল মিসরিইয়্যাহ’ তার নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে কথিত এই বাহিনী গঠনের খবর ফাঁস করেছে।
দৈনিকটি আরো জানিয়েছে, এই পরিকল্পনার বিষয়ে কাতারের একদল গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও ইখওয়ানের আন্তর্জাতিক শাখার একদল শীর্ষস্থানীয় নেতা তুরস্কে বৈঠক করেছেন। তারা কথিত মুক্তি বাহিনীকে অর্থ সহায়তা দিতে এবং সুদান ও লিবিয়ার মধ্য দিয়ে এই বাহিনীর কাছে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়েও একমত হয়েছেন।
এই খবরের সত্যতা এখনও অন্য কোনো সূত্রে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে খবরটি যদি সত্য হয় তাহলে মিশরে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন।
দৈনিকটির আরো জানিয়েছে, ইখওয়ানের একজন নেতা বলেছেন, মিশরের সদ্য-পদত্যাগ করা প্রতিরক্ষামন্ত্রী আবদুল ফাত্তাহ আল সিসি যদি আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী না হন তাহলে তারা সহিংসতা বন্ধ করতে প্রস্তুত রয়েছেন।
মিশরের সশস্ত্র বাহিনী কয়েক মাস আগে দেশটির গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুরসিকে পদচ্যুত করে এবং এরপর একটি অস্থায়ী নতুন সরকার গঠন করে।
ইখওয়ান কাতার সরকারের কাছ থেকে গত প্রায় দুই বছরে আর্থিক, রাজনৈতিক ও প্রচারণাগত সহায়তা পেয়েছে। তবে মুরসির পতনের পর দোহা-কায়রোর সম্পর্কে গভীর সংকট দেখা দেয়। তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী এরদোগান মিশরের নতুন সরকারকে অবৈধ সরকার বলে উল্লেখ করায় আঙ্কারা-কায়রো সম্পর্কে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। অন্যদিকে সৌদি সরকারও মিশরের নতুন সরকারকে সর্বাত্মক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ায় রিয়াদ-আঙ্কারা সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। সৌদি আরবের সঙ্গে কাতারের সম্পর্কে ব্যাপক টানা-পড়েন রয়েছে অনেক আগ থেকেই।

Comments